পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচার ছুরিকাঘাতে ভাতিজা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক স্বজন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের মিলঘর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিনের চাচাতো ভাই মো. ইমরান অভিযোগ করেন, ‘জমি–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আল আমিনকে কুপিয়ে ফেলে রেখে আমার সামনে দিয়ে আমার চাচা মোতালেবসহ কয়েক সন্ত্রাসী চলে গেছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ মাধবপুর গ্রামের মো. সানু মৃধার সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই আবদুল মোতালেব মৃধার জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গতকাল সন্ধ্যায় আল আমিন মিলঘর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বাজারের পাশে আবদুল মোতালেব ও তাঁর লোকজন আল আমিনের পথ রোধ করেন। তখন আল আমিনের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়। আবদুল মোতালেব একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আল আমিনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। আল আমিন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার পর আবদুল মোতালেব ও তাঁর লোকজন গা ঢাকা দেন। পরে পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে বগা ফেরিঘাট দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় আবদুল মোতালেব ও তাঁর ছেলে লাবিবকে আটক করেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম আরিচুল হক বলেন, নিহত যুবকের লাশ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। সেখান থেকেই লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। এ ঘটনায় জড়িত প্রধান ব্যক্তি ও তাঁর ছেলেকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

0 Comments